Overblog
Edit post Folge diesem Blog Administration + Create my blog
8. März 2014 6 08 /03 /März /2014 01:27

রাষ্ট্রীয় মদদ ছাড়া সম্ভব নয় : অভিমত বিশেষজ্ঞদের

বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড কিছুতেই থামছে না
গোলাম রব্বানী
 ৮ মার্চ ২০১৪, শনিবার, ১০:৩৫
থামছে না বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড। সম্প্রতি এমন হত্যাকাণ্ড উদ্বেগজনক হারে বেড়ে গেছে। এ নিয়ে দেশ-বিদেশে চলছে কড়া সমালোচনা। মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠছে দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোর বিরুদ্ধে। কিন্তু তাতে ভ্রƒক্ষেপ নেই কারো। উল্টো ক্ষমতাসীনেরা এর পক্ষে সাফাই গাইছেন। প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের পর প্রায় একই রকম একটি করে গল্প ফাঁদছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তবে বিচারবহির্ভূত এসব হত্যাকাণ্ডকে মানবাধিকার কর্মীরা দেখছেন রাষ্ট্রীয় হত্যা হিসেবে। তারা বলছেন, রাষ্ট্রের মদদ না থাকলে ধারাবাহিকভাবে এমন হত্যাকাণ্ড সম্ভব হতো না। দীর্ঘ দিন ধরেই এ ধরনের হত্যাকাণ্ড বন্ধ করে অভিযুক্তদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়ে আসছেন তারা।
দেশের অভ্যন্তরে মানবাধিকার লঙ্ঘনে জড়িত থাকার অভিযোগে ইতোমধ্যে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র‌্যাবের প্রশিক্ষণ বন্ধ করে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। গত ৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস থেকে পুলিশের আইজি হাসান মাহমুদ খন্দকারকে চিঠি দিয়ে র‌্যাব সদস্যদের মার্কিন সহায়তায় কোনো প্রশিণে না পাঠানোর জন্য বলা হয়। চিঠির অনুলিপি স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী, পররাষ্ট্রসচিব ও র‌্যাবের ডিজির কাছেও পাঠানো হয়। সূত্র জানায়, ইতালির ব্রিয়েঞ্জায় প্রশিণের জন্য র‌্যাবের একজন কর্মকর্তাকে মনোনয়ন দেয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের প থেকে এ আপত্তি জানানো হয়। মার্কিন সরকারের অর্থায়নে শান্তিরীদের প্রশিণ দেয়ার উপযোগী প্রশিক তৈরির জন্য পুলিশ কর্মকর্তাদের সেখানে প্রশিণ দেয়া হচ্ছে। সেন্টার ফর এক্সিলেন্স ফর স্ট্যাবিলিটি পুলিশ ইউনিটের (সিওইএসপিইউ) ফিফথ মোবাইল মেনটরিং টিম (এমএমটি-০৫) নামে ওই প্রশিণের জন্য র‌্যাবের এক কর্মকর্তাসহ মোট ১৭ জন পুলিশ কর্মকর্তাকে বাছাই করা হয়। এর মধ্যে একজনের ব্যাপারে আপত্তি জানায় যুক্তরাষ্ট্র। তিনি হচ্ছেন র‌্যাবের কর্মকর্তা।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের সমালোচনা যখন দেশ-বিদেশে, তখন এর পক্ষে সাফাই গাইছেন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। তিনি গত মঙ্গলবার রাজধানীতে এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের বলেন, দেশে কোনো ক্রসফায়ার হয় না। যা হয় তা বন্দুকযুদ্ধ। আইনমন্ত্রী আনিসুল হক সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমকে বলেছেন, সরকার কখনোই এ ধরনের হত্যাকাণ্ড অনুমোদন করে না। বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের কোনো অভিযোগ নিয়ে মামলা হলে সরকার অবশ্যই তা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেবে। বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেছেন, দেশে যে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ঘটছেÑ আইনমন্ত্রীর বক্তব্যই তার প্রমাণ। কিন্তু দেশের বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে যে ব্যক্তি এ ধরনের হত্যার অভিযোগ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে করতে যাবে তিনিও যে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হবেন না, তার নিশ্চয়তা কে দেবে?
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে সংঘটিত প্রতিটি বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের পর প্রায় একই রকম একটি করে গল্প গণমাধ্যমের সামনে হাজির করা হয়। ‘সন্দেহভাজন আটক সন্ত্রাসীকে নিয়ে অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান চালানোর সময় একদল তাকে ছিনিয়ে নিতে আমাদের ওপর আক্রমণ করে। আমরা আত্মরায় গুলি চালালে ঘটনাস্থলে নিহত হয় আটক সন্দেহভাজন সন্ত্রাসী।’ প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের পরই এমন বক্তব্য দিচ্ছে তারা। গত কয়েক বছর এটি ‘ক্রসফায়ার’ নামে জনমনে আতঙ্ক ছড়ালেও সম্প্রতি তা পরিচিতি পেয়েছে বন্দুকযুদ্ধ নামে।
বিচারবহির্ভূত এসব হত্যাকাণ্ডকে মানবাধিকারকর্মীরা দেখছেন রাষ্ট্রীয় হত্যা হিসেবে। তারা দীর্ঘ দিন ধরেই এ ধরনের হত্যাকাণ্ড বন্ধ করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়ে আসছেন। অভিযুক্তকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেয়ার দাবি জানাচ্ছেন। মানবাধিকার সংগঠনগুলোর ভাষ্য মতে, ১০ বছরে দুই হাজারেরও বেশি মানুষ এই ক্রসফায়ারের শিকার হয়েছেন। বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের এক অনুসন্ধানে বলা হয়, ২০০৯ সালে ২২৯ জন, ২০১০ সালে ১৩৩ জন, ২০১১ সালে ১০০ জন, ২০১২ সালে ৯১ জন, ২০১৩ সালে ৭১ জন এবং ২০১৪ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট ৪৪ জন বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন।
২০১৩ সালে দেশের সার্বিক মানবাধিকার পরিস্থিতি চরম উদ্বেগজনক ছিল বলে জানিয়েছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)। মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের মতে, ২০১৩ সালের মানবাধিকার পরিস্থিতি ছিল চরম উদ্বেগজনক। তাদের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের অপোকৃত নতুন সংযোজন গুম বা গুপ্তহত্যা। দেশের জাতীয় দৈনিকগুলোয় গুম বা গুপ্তহত্যা বিষয়ে প্রকাশিত খবরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী ২০১৩ সালে এ ধরনের ঘটনার শিকার হয়েছেন মোট ৫৩ জন। তাদের প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, ২০১৩ সালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কর্তৃক বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হন মোট ৭২ জন। এর মধ্যে র‌্যাবের ক্রসফায়ারে ২৪ জন, পুলিশের ক্রসফায়ারে ১৭ জন, বিজিবির ক্রসফায়ারে ১ জন, পুলিশ হেফাজতে শারীরিক নির্যাতনে ২৬ জন এবং র‌্যাব ও পুলিশের যৌথ নির্যাতনে ১ জনের মৃত্যু হয়েছে।
মানবাধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের হিসাব মতে, চলতি বছরের ৬২ দিনে র‌্যাব-পুলিশের হেফাজত ও কথিত বন্দুকযুদ্ধে ৫৪ জন নিহত হয়েছেন। জানুয়ারিতে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন ৩৩ জন। এদের মধ্যে র‌্যাবের হাতে ১৩ জন, পুলিশের হাতে ১১ জন ও যৌথবাহিনীর হাতে সাতজন মারা যান। ফেব্রুয়ারিতে নিহত হয়েছেন ১৬ জন। এদের মধ্যে পুলিশের হাতে ১৪ ও র‌্যাবের হাতে নিহত হন দুইজন। মার্চ মাসের তিন দিনেই মারা যান পাঁচজন।
পাওয়া তথ্য মতে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বন্ধের দাবিতে হাইকোর্টে ২০০৬ সাল থেকে এ পর্যন্ত মোট তিনটি রিট দায়ের করা হয়। হাইকোর্ট স্বতঃপ্রণোদিত হয়েও একটি রুল জারি করেন। সব মিলিয়ে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বন্ধে বর্তমানে পৃথক চারটি রুল হাইকোর্টে নিষ্পত্তির অপোয় রয়েছে। ২০০৬ সালে প্রথম রিটটি করার পর কেটে গেছে আট বছর। কিন্তু রুলের শুনানিই শুরু হয়নি আজো। আইনজীবীরা বলছেন, আদালতের নির্দেশনা পেলে এ ধরনের হত্যাকাণ্ড অনেকাংশেই কমে আসত।
সম্প্রতি বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বেড়ে যাওয়ার ঘটনায় আবার আলোচনায় আসে বিষয়টি। এর বিরুদ্ধে সোচ্চার হয় মানবাধিকার সংগঠনগুলো। জানা যায়, র‌্যাব ও পুলিশের হাতে সংঘটিত এসব বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বন্ধের আবেদন জানিয়ে ২০০৬ সালে দু’টি এবং ২০০৯ সালে একটি রিট আবেদনের পরিপ্রেেিত রুল জারি করেন উচ্চ আদালত। এ ছাড়া ২০০৯ সালে আরো একটি স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। আজ পর্যন্ত এর কোনোটিরই শুনানি হয়নি। ২০০৬ সালের ২২ মে রাজধানীর লালবাগ থানায় রিমান্ডের আসামি ইসমাইল হোসেন ওরফে টুণ্ডা ইসমাইল (৩৫) পায়ে ডাণ্ডাবেড়ি পরা অবস্থায় পুলিশের ক্রসফায়ারে নিহত হন। এ ঘটনায় ২৫ মে টুণ্ডার বড় ভাই শাহ আলম একটি রিট আবেদন দায়ের করেন। সংপ্তি শুনানি শেষে ওই দিনই আদালত রুল জারি করেন। এরপর পৃথক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্টের আরো তিনটি বেঞ্চ ২০০৬ সালের ১৩ আগস্ট, ২০০৯ সালের ২৯ জুন ও ২০০৯ সালের ১৪ নভেম্বর এ বিষয়ে রুল জারি করেন। এসব রুলের শুনানিতে সরকারপ কয়েক দফা সময় নেয়। পরে এ বিষয়ে আর শুনানি হয়নি।
এ ধরনের হত্যাকাণ্ড বাংলাদেশের সংবিধানের মৌলিক অধিকার সম্পর্কিত ৩১, ৩৩(ক), ৩৩(খ) ও ৩৫(৫) ধারার পরিপন্থী। ধারাগুলোতে নির্যাতন নিষিদ্ধ ও ব্যক্তিস্বাধীনতা অুণœ রাখার কথা বলা হলেও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে মানবাধিকার খর্ব করা হচ্ছে। বাংলাদেশ সংবিধানের ৩১ অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে, ‘আইনের আশ্রয়লাভ এবং আইনানুযায়ী ও কেবল আইনানুযায়ী ব্যবহার লাভ যেকোনো স্থানে অবস্থানরত প্রত্যেক নাগরিকের এবং সাময়িকভাবে বাংলাদেশে অবস্থানরত অপরাপর ব্যক্তির অবিচ্ছেদ্য অধিকার এবং বিশেষত আইনানুযায়ী ব্যতীত এমন কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাইবে না, যাহাতে কোনো ব্যক্তির জীবন, স্বাধীনতা, দেহ, সুনাম বা সম্পত্তির হানি না ঘটে।’ অর্থাৎ সংবিধানে যেকোনো নাগরিককে আইনের আশ্রয় গ্রহণের অধিকার দেয়া হয়েছে এবং এ ক্ষেত্রে কোনোভাবেই তার জীবনহানি করা যাবে না।
দণ্ডবিধির ৯৬-১০৬ ধারা বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিজের বা অন্যের জানমাল রক্ষায় আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করবে। তবে সেটা তখনই যখন ওই জানমাল বেআইনিভাবে ধ্বংসের উপক্রম হয়। কোনো েেত্র আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের বিকল্প না থাকলেও শক্তি প্রয়োগ হবে এখানে ততটুকু যতটুকু দরকার। এর বেশি নয়। আইনি কোনো মিছিল বা সমাবেশে গুলি চালানোর কোনো অনুমতি নেই পুলিশের। কেবল বেআইনি সমাবেশে গুলির অনুমতি থাকলেও গুলিবর্ষণ একটি ‘চরম ব্যবস্থা’। এ েেত্র প্রথমে ম্যাজিস্ট্রেট কিংবা নেতৃত্বদানকারী পুলিশ কর্মকর্তা (ম্যাজিস্ট্রেট না থাকলে) দাঙ্গাকারী জনতাকে বারবার ছত্রভঙ্গ হওয়ার অনুরোধ করবেন। কাজ না হলে গুলিবর্ষণের হুমকি দেবেন। দেখা গেল, তা-ও অকার্যকর। কিছুতেই কিছু হচ্ছে না। কোনোভাবে জনতাকে রোধ করা যাচ্ছে না। অথচ জনগণের জানমালও হুমকির মুখোমুখি। এরূপ পরিস্থিতিতেই কেবল আর কোনো বিকল্প না থাকলে পরে ম্যাজিস্ট্রেট বা নেতৃত্বদানকারী পুলিশ কর্মকর্তা গুলির নির্দেশ দেবেন। ম্যাজিস্ট্রেট বা উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার (ম্যাজিস্ট্রেট না থাকলে) নির্দেশ ছাড়া কোনো পুলিশ অফিসার বেআইনি সমাবেশেও গুলিবর্ষণ করতে পারেন না। আত্মরার বিষয়টি ভিন্ন। ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৬ ধারার অধীনেও পুলিশের বল প্রয়োগ চলে। শক্তি প্রয়োগে কেউ গ্রেফতার প্রতিরোধ বা এড়ানোর চেষ্টা করলেই কেবল আগ্নেয়াস্ত্রের ব্যবহার করা যাবে। তবে তাতে যেন মৃত্যুর ঘটনা না ঘটে।
বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান অ্যডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেছেন, দেশে কোনো আইনের শাসন নেই। এখানে চলছে জংলি শাসন। একজন মানুষকে গ্রেফতারে প্রয়োজনে তাকে পায়ে গুলি করা যেতে পারে। কিন্তু তা না করে তাকে মেরে ফেলা হচ্ছে। কোনো প্রকার আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেয়া হচ্ছে না। তিনি এ ধরনের হত্যাকাণ্ডকে মানবতাবিরোধী উল্লেখ করে বলেন, সরকার অসৎ রাজনৈতিক উদ্দেশ্য চরিতার্থ করতে এ বিষয়ে নীরব ভূমিকা পালন করছে। তিনি বলেন, রাষ্ট্রের মদদ না থাকলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অব্যাহতভাবে এ কাজ করার সুযোগ পেত না।
মানবাধিকার সংগঠন ‘অধিকার’র সম্পাদক আদিলুর রহমান খান বলেন, দেশে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ঘটেই চলেছে। বাংলাদেশের মানবাধিকার কর্মীরা এর বিরুদ্ধে সোচ্চার রয়েছেন। আইনের শাসন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড একসাথে চলতে পারে না। এই হত্যাকাণ্ডের সাথে যারা জড়িত তাদের আইনের আওতায় এনে বিচারের সম্মুখীন করা উচিত। এসব হত্যাকাণ্ড তদন্তে একটি নিরপেক্ষ তদন্ত কমিশন গঠন করে সমস্ত বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের তদন্ত হওয়া উচিত। এসব হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ‘বন্দুকযুদ্ধের’ নামে যে বক্তব্য বারবার দিয়ে যাচ্ছে সেটা বাংলাদেশের নাগরিক ও মানবাধিকার কর্মীরা গ্রহণ করে না।

 

Diesen Post teilen
Repost0
Published by Alamgirkingpin